
জয়পুরহাট সীমান্তে ফের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা বিএসএফের, উত্তেজনা
আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তে ফের কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির বাধার মুখে কাজ বন্ধ রেখেছে তারা।
বাংলাদেশ
জার্নাল ডেস্ক 2025-12-28
আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তে ফের কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির বাধার মুখে কাজ বন্ধ রেখেছে তারা।
এতে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর থেকে উপজেলার উচনা সীমান্তের ঘোনাপাড়া এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন ধরঞ্জী ইউনিয়নের সাবেক সদস্য আব্দুল গণি।
পাঁচবিবি উপজেলার কয়া বিওপির আওতাধীন পূর্ব উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তে ২৮১ নম্বর মেইন সীমান্ত পিলারের সাব-পিলার ৪৭, ৪৮ ও ৪৯ এলাকায় এই বেড়া দেয়ার চেষ্টা চলছিল শনিবার থেকেই।
শনিবার বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন কয়া ক্যাম্পে খবর দেয়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএসএফকে বাধা দেয়। এতে বিএসএফ সদস্যরা কাজ বন্ধ করে সরে যান।
পরে এ ঘটনা নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
কিন্তু রোববার সকাল থেকে আবারো বিএসএফের উস্কানিতে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি সদস্যরা টহল জোরদার করে পজিশন নিয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি কবির হোসেন বলেন, সীমান্তের গ্রামবাসীর মধ্যে আতংক রয়েছে। বর্তমানে ঐ এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও নাম পরিচয় প্রকাশ করে তথ্য দিতে অপারগতার কথা জানিয়েছেন বিজিবি কর্মকর্তারা।
এর আগে এ বছরের জানুয়ারি ও গত বছরের সেপ্টেম্বরে সীমান্তের ঐ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বিএসএফ সদস্যরা। কিন্তু বিজিবির বাধায় তা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: বিডি নিউজ
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){ (function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){ _atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

















