
নরসিংদীর পলাশে বাড়ির ফটকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বাড়ির ফটকের সামনেই এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
জার্নাল ডেস্ক 2026-01-06
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় দোকান বন্ধ করে ফেরার পথে বাড়ির ফটকে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির নাম শরৎ চক্রবর্তী ওরফে মণি (৪০)। তিনি শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের উত্তর সাধারচর গ্রামের মোহন চক্রবর্তীর ছেলে। পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর বাজারে তিনি পৈতৃক একটি মুদিদোকান পরিচালনার পাশাপাশি এক্সকাভেটর (খননযন্ত্র) ভাড়া দেওয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সুলতানপুর গ্রামে শরৎ চক্রবর্তীর আরেকটি বাড়ি রয়েছে, যেখানে তিনি কিছু খরগোশ পালন করতেন। সোমবার রাত ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি ওই বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়িটির ফটকের সামনে পৌঁছামাত্রই দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথার পেছনে কোপ দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। শরতের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে দ্রুত পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্বজনরা হাসপাতালে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, “ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর মাথার পেছনের দিকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রায় আড়াই ইঞ্চি দেবে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।”
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

















