
‘জামায়াত জোট থেকে ইসলামী আন্দোলনের সরে আসার কারণ আদর্শগত-রাজনৈতিক’
জার্নাল ডেস্ক 2026-01-16
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে সরে আসার পেছনে আদর্শগত ও রাজনৈতিক— উভয় কারণই দেখাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
সেইসঙ্গে জামায়াতে ইসলামের বর্তমান নীতি শরিকদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা পর্যালোচনা করতে দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল।
আর জামায়াত দৃশ্যত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সঙ্গে বৈঠক করার পর জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলায় নির্বাচন পাতানো হবে কি না তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনের নোয়াখালী টাওয়ারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কথা বলে।
দলের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, এখানে (জোটে) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটা বড় শক্তি ছিল— অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাদের শক্তি-সামর্থ্য অনেক বেশি—ঠিক আছে। কিন্তু আমরা আদর্শিকভাবে নৈতিকভাবে আমরা কারোর চেয়ে দুর্বল নই।
‘আজকে আমাদের দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমরা অবাক বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলাম— জামায়াতে ইসলামী সম্মানিত আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। এবং তিনি যে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলছিলেন; সেই খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একজন সম্মানিত নারী তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, আমরা আশ্বস্ত হয়েছি যে জামায়াতের আমির শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করবেন না- এই ওয়াদা তিনি করেছেন, এজন্য আমরা আশ্বস্ত হয়েছি।’
আতাউর বলেন, এই বিষয়টা যখন আমরা জানতে পারলাম, তখন আমরা স্পষ্ট হয়ে গেলাম— আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে চলছি, সেই লক্ষ্য অর্জিত হবে না। কারণ আজকে যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার মতো একটা পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে; এখন যারা প্রধান শক্তি তারাই যদি ইসলামের সুমহান আদর্শ থেকে ভিন্ন দিকে চলে যায়, যদি ইসলামি আইনের প্রতি তাদের আস্থা না থাকে— তাহলে আমরা যে কর্মী-সমর্থক নিয়ে সারা দেশে ইসলামের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি; এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।
“আজকে আমরা অবাক বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি, জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশে সারা দেশে লক্ষ লক্ষ কর্মী-সমর্থক আছেন; আমরা জানি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের জন্মের পর থেকে একটা মৌলিক স্লোগান ছিল যে, ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’। এখন যখন ক্ষমতায় যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে, তখন তারা আল্লাহর আইন থেকে সরে গেলেন; তারা প্রচলিত আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন— এই কথা যখন ঘোষণা করলেন, তখন আমাদের প্রশ্ন জাগে যে, সারা দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের এই যে আবেগ-অনুভূতি, এই বিষয়টার প্রতি তারা আসলে খেয়াল করে নাই। আমাদের যেটা মনে হয়েছে, তারা ক্ষমতাটাকেই একমাত্র মুখ্য মনে করছে।”
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে না গিয়ে ২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বাকি ৩২ আসনে অন্যদের সমর্থন দেবে দলটি।
ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আতাউর বলেন, আমাদের যেহেতু ২৬৮ আসনে ক্যান্ডিডেট আছে, আর ৩২ টা আসন এখনো ফাঁকা আছে; এই ৩২ আসনেও আমরা সমর্থন দিব। সেখানে কাদেরকে আমরা সমর্থন দিব, সেটা আমরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পরে ডিসাইড করব।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরি, প্রচার ও দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
বাংলাদেশ জার্নাল/এমপি
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();
















